কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬ এ ১১:০৮ AM

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

কন্টেন্ট: পাতা

ব্রিটিশ আমলে মগ বা বর্গী জলদস্যুরা এ অঞ্চলে অত্যাচার করতো। লোককথা অনুযায়ী নবাব মুর্শিদকুলী খাঁ-এর সময়ে মগদের প্রতিহত করার স্থানকে ‘মগ-ঘুরা’ বলা হতো, যা পরে ‘মাগুরা’ নাম ধারণ করে । আরেকটি মত অনুযায়ী, মুণ্ডারী ও সাঁওতাল ভাষায় ‘মগরা’ অর্থ জলপ্রণালী, যা এ জেলার নদীমাতৃক ভূপ্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত।

ঐতিহাসিকভাবে সপ্তদশ শতাব্দীতে সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে সীতারাম রায় ‘রাজা’ উপাধি গ্রহণ করে মাগুরার মহম্মদপুরে রাজধানী স্থাপন করেন এবং মগ জলদস্যুদের দমন করে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর জীবনী অবলম্বনে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ‘সীতারাম’ উপন্যাস রচনা করেন।

ভৌগলিকভাবে মাগুরা খুলনা বিভাগের অন্তর্গত। ১৮৪৫ সালে এটি যশোর জেলার প্রথম মহকুমা এবং ১৯৮৪ সালে পূর্ণাঙ্গ জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। জেলার উত্তরে রাজবাড়ী, দক্ষিণে নড়াইল ও যশোর, পূর্বে ফরিদপুর এবং পশ্চিমে ঝিনাইদহ।

মাগুরা জেলার আয়তন ১০৪৯ বর্গ কিমি, জনসংখ্যা প্রায় ১০,৩৩,১১৫ জন (জনশুমারী ২০২২ অনুযায়ী)। এখানে ৪টি উপজেলা (মাগুরা সদর, শ্রীপুর, শালিখা, মহম্মদপুর), ১টি পৌরসভা ও ৩৬টি ইউনিয়ন রয়েছে। রাজা সীতারাম রায়ের রাজবাড়ী, সিরিজদিয়া বাওড়, ঘোপ বাওড়, নদের চাঁদের ঘাট, ভাতের ভিটা, চণ্ডীদাস রজকিনী ঘাটসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান এবং কাত্যায়নী পূজা, নৌকাবাইচ ও ঘৌড়-দৌড়সহ নানা ঐতিহ্যবাহী উৎসবের জন্য মাগুরা পরিচিত। মাগুরা জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গের মধ্যে রয়েছেন- কবি ফররুখ আহমদ, কবি কাজী কাদের নওয়াজ, আফছার উদ্দিন, সৈয়দ আলী আহসান, ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান প্রমুখ।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন